খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার প্রথমবারের মতো তিন লাখ কোটি টাকার সীমা ছাড়িয়ে যাবে। প্রস্তাবিত এডিপির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা, যা চলতি এডিপির তুলনায় এক লাখ কোটি টাকা বেশি।
শনিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বর্ধিত সভায় আগামী অর্থবছরের এডিপির খসড়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। আগামী ১৬ মে অনুষ্ঠিতব্য আরেকটি বর্ধিত সভায় এই খসড়া চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজকের সভায় সভাপতিত্ব করেন।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় চলতি মাসেই আগামী অর্থবছরের এডিপি অনুমোদিত হবে এবং পরবর্তীতে তা জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নতুন এডিপিতে মোট ১১২১টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি বড় ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে, যেখানে প্রথম ৯ মাসে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার আগামী অর্থবছরের জন্য একটি বৃহৎ এডিপি গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়াও, প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতার অভাবও একটি উদ্বেগের বিষয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ধিত সভায় উপস্থাপিত খসড়া অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরের মূল এডিপির আকার হবে তিন লাখ কোটি টাকা। এর সাথে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা যুক্ত হবে। প্রস্তাবিত খসড়া এডিপির মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা দেশীয় উৎস থেকে এবং বাকি ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে পাওয়া যাবে।
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, শিক্ষখাতে চলতি এডিপির তুলনায় আগামী এডিপিতে ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্যখাতে ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। তবে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) এডিপির মাত্র ৩৬ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
সর্বোচ্চ বরাদ্দের পাঁচটি খাত
প্রস্তাবিত খসড়া এডিপিতে বরাদ্দের দিক থেকে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে। এই খাতে মোট ৫০ হাজার ৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে শিক্ষা খাত, যেখানে ৪৭ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা স্বাস্থ্য খাতে ৩৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩২ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা এবং গৃহায়ণ খাতে ২০ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম সর্বোচ্চ বরাদ্দ।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








