খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে সীমান্ত হত্যা, হামের টিকাদান কার্যক্রমে অব্যবস্থাপনা এবং এই রোগে শিশুমৃত্যুর বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।
এ কর্মসূচিতে ছাত্রশক্তির কর্মীরা "হাসপাতালে শিশু মরে, সরকার কী করে", "সীমান্তে মানুষ মরে, সরকার কী করে" এবং "দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা" সহ বিভিন্ন স্লোগান তোলেন।
প্রতিবাদকারীরা তাদের হাতে "হামের প্রতিকার ও প্রতিরোধে ব্যর্থতার দায় নিতে হবে", "আর কত ফেলানীর লাশ বইবে বাংলাদেশ", "সীমান্ত হত্যা বন্ধ করো" এবং "হামে ৪০০ শিশুমৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে" লেখা প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
এই প্রতিবাদ সভায় জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী মন্তব্য করেন যে, বর্তমান সরকার চার মাস আগে ক্ষমতা গ্রহণ করলেও দেশকে "মব" মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
হাম মহামারীর ফলে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাহমিদ আরও বলেন, "আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, অবিলম্বে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে হামের প্রাদুর্ভাবের কারণ উদঘাটন করা হোক। স্বাস্থ্য খাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর আশু সমাধান করা অত্যাবশ্যক।"
বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ছাত্রশক্তির এই শীর্ষস্থানীয় নেতা আরও যোগ করেন যে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত সরকার তাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কে বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিরতা সৃষ্টির নির্দেশ দিচ্ছে। বাংলাদেশের নাগরিকদের উপর সীমান্তে হত্যা এবং ভারতের আগ্রাসী মনোভাবের বিষয়ে বর্তমান সরকারের নীরবতাকে তিনি "নতজানু পররাষ্ট্রনীতি" আখ্যা দেন।
জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আসিয়া আক্তার উল্লেখ করেন, "জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের আশা ছিল যে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম এবং আত্মনির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করবে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার এই নীতি বজায় রেখেছিল, তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের ‘নতজানু’ নীতির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।"
আসিয়া আক্তার এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, "অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টার কোনো উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম আমরা লক্ষ্য করিনি। বিএনপি সরকারও সেই একই নীতি অনুসরণ করছে। তাদের নিযুক্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ, কার্যক্রম বা মন্তব্য আমরা দেখিনি।"
জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর মতে, "নির্বাচনের পূর্বে যারা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দিয়েছিলেন, তারা আজ সীমান্ত হত্যা নিয়ে নিশ্চুপ। তাদের কার্যকলাপে মনে হচ্ছে, তাদের কাছে ‘সবার আগে দিল্লি’ ছিল।"
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








