বিএনএন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিজ দল লেবার পার্টির আইনপ্রণেতাদের পক্ষ থেকে পদত্যাগের প্রবল চাপের সম্মুখীন হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর চারজন পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি (পিপিএস) পদত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি হাউজ অব কমন্সের ৭০ জন লেবার এমপিও তাঁর সরে দাঁড়ানোর দাবি তুলেছেন। যদিও গত সোমবার স্টারমার নিজেকে শুধরে নেওয়ার জন্য সময় চেয়েছিলেন, তবে দলের ভেতরে তাঁর সেই আহ্বানে বিশেষ কোনো সাড়া মেলেনি। লন্ডনে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি আবেগজড়িত কণ্ঠে পাশে থাকার অনুরোধ জানান এবং বলেন যে, এই মুহূর্তে নেতৃত্ব বদল করলে কেবল বিশৃঙ্খলাই বাড়বে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পর থেকেই দলের ভেতরে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলের অনেক সদস্যই স্টারমারের অর্থনৈতিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের দক্ষতায় সন্তুষ্ট নন। পদত্যাগকারী চার পিপিএস হলেন—মেলানি ওয়ার্ড, জো মরিস, টম রুটল্যান্ড এবং নওশাবাহ খান। এই কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৯ সালের পরবর্তী নির্বাচনে দলকে জয়ী করার জন্য স্টারমার উপযুক্ত ব্যক্তি নন। তাঁরা নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
পিপিএস বা পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি মূলত একজন মন্ত্রীর সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, জুনিয়র এমপিদের মধ্য থেকে তাঁদের নির্বাচন করা হয়, যাতে তাঁরা হাউস অফ কমন্সে মন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে সার্বক্ষণিক নজরদারি করতে পারেন। এটি একটি অবৈতনিক পদ হলেও সরকারি প্রশাসনিক কাজে অভিজ্ঞতা অর্জনের বড় মাধ্যম। পদত্যাগকারী টম রুটল্যান্ড তাঁর চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী কেবল দলের মধ্যেই নয়, বরং পুরো দেশেই নিজের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন। মেলানি ওয়ার্ডও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, স্থানীয় নির্বাচনের ফলাফল স্টারমারের নেতৃত্বের ব্যাপারে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন









খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।