খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ষণ মামলার এক অভিযুক্তের সঙ্গে বাদীপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি, উন্নয়ন ও গণমাধ্যম) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জানান, এম তরিকুল ইসলাম রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি দোকানের কর্মচারী। বয়সে তার চেয়ে ৯ বছরের বড় এক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে; কিন্তু তরিকুল বিয়ে করতে অনীহা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই নারী গত ২৬ এপ্রিল যাত্রাবাড়ী থানায় তরিকুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। পরে পুলিশ তরিকুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। ওই নারীর ডিএনএ পরীক্ষায় তরিকুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়।
কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, উভয় পরিবারের মধ্যস্থতার ফলস্বরূপ তরিকুল কারাবন্দী অবস্থাতেই সেই নারীকে বিবাহ করতে রাজি হন। পরবর্তীতে উভয়পক্ষের আইনজীবীগণ আদালতে আবেদন করেন এবং সেই আবেদনের ভিত্তিতে বিচারালয় কারাগারে বিয়ের অনুমতি প্রদান করে।
অভিযোগকারী এই নারীর পূর্বে একবার বিয়ে হয়েছিল, কিন্তু পরে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। সেই দাম্পত্যে তার কোনো সন্তান ছিল না।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক ফারুক আহমেদ আজ নিশ্চিত করেছেন যে, আদালতের নির্দেশক্রমে আজ বিকেলে কারা উপতত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ মাসুদ হাসানের তত্ত্বাবধানে একজন কাজী দ্বারা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এই বিয়ের নিবন্ধন সম্পন্ন করা হয়। ধর্মীয় বিধান মেনেই অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে তরিকুলের বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর স্বামী-স্ত্রী কারাগারের অভ্যন্তরে মালাবদল করেন। সেই সময়ে নারীটির মাতা, তরিকুলের মাতা ও পিতা উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তরিকুলের নবপরিণীতা স্ত্রী, তার মাতা, শ্বশুর ও শাশুড়ি এবং কাজী কারাগার ত্যাগ করেন।
কারা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জান্নাত-উল ফরহাদ উল্লেখ করেন যে, মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখে তরিকুলের আইনজীবী যদি আদালতে কাবিননামা পেশ করেন, তবে আদালত এই বিষয়টি পর্যালোচনা করে তাকে জামিন মঞ্জুর করতে পারেন।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন




