খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

জুলাই মাসের গণ-আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানায় দায়ের করা দুটি পৃথক হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে এই জামিন আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগ যাত্রাবাড়ী এলাকায় যুবদল কর্মী নিহতের ঘটনাসহ মোট পাঁচটি মামলায় তাঁর জামিন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন।
নতুন এই দুটি মামলায় জামিন মেলায় সাবেক প্রধান বিচারপতির জেল থেকে বের হতে এখন আর কোনো আইনি অন্তরায় নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী মো. মনসুরুল হক চৌধুরী। তিনি জানান, ‘এই দুই মামলার একটির এজাহারে খায়রুল হকের নাম ছিল না। আগের পাঁচ মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাঁকে নতুন করে এই দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। হাইকোর্ট আজ শুনানি নিয়ে তাঁকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন।’
আইনজীবীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্ট থেকে আগের মামলাগুলোতে জামিন পাওয়ার পর গত ৩০ মার্চ যাত্রাবাড়ী ও আদাবরের দুটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।
নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন নাকচ হওয়ার পর গত রবিবার তিনি হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন এবং আজ বিষয়টি আদালতের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজাসহ আরও কয়েকজন।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
উল্লেখ্য, এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চই সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিলেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং তখন থেকেই তিনি কারান্তরীণ আছেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছিল। এছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
এই মামলাগুলোর মধ্যে রায় জালিয়াতি ও হত্যা সংক্রান্ত চারটি মামলায় তিনি গত ৮ মার্চ এবং দুদকের মামলায় ১১ মার্চ হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন।
হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করতে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলেও গত ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগ সেই আবেদনগুলো খারিজ করে দেন। এর ফলে আগের পাঁচটি মামলায় তাঁর জামিন বহাল থাকে এবং আজকের নতুন দুই মামলার জামিনের মাধ্যমে তাঁর মুক্তির পথ পরিষ্কার হয়।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








