খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

দেশের বেশ কিছু ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের বিপুল অংকের অর্থ সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি এখন দেশি-বিদেশি নিরীক্ষায় স্পষ্টভাবে প্রমাণিত। ব্যাংক থেকে এভাবে টাকা বের করে পাচারের দায়ে তাদের অবশ্যই কঠোর সাজার মুখোমুখি করতে হবে। তারা চাইলে এখন সব অর্থ ফেরত দিতে পারে, তবে তাদের কারণে কয়েকটি ব্যাংক বর্তমানে ধ্বংসের কিনারে পৌঁছে গেছে। সাধারণ আমানতকারীরা তাদের জমানো টাকা ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, তাই তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
যেহেতু তারা টাকা ফেরত দিচ্ছে না, তাই তাদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ব্যাংক লুটেরা ও অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বর্তমান প্রশাসনের অবস্থান কী, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। তাদের ছাড় দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে, তাই প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।
যদি তারা অর্থ পরিশোধে সদিচ্ছা প্রকাশ করে, তবে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া যেতে পারে। এরপরও যদি কাজ না হয়, তবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এসব অপরাধীদের শনাক্ত করা হলেও খুব একটা কঠোর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বর্তমান সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে, অন্যথায় জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।
ব্যাংকিং নিয়ম লঙ্ঘন করে যারা টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করেছে, তাদের বিচার হওয়া আবশ্যক। এমন কঠোর দণ্ড দেওয়া উচিত যা ভবিষ্যতে সবার জন্য একটি বড় শিক্ষা হিসেবে কাজ করবে।
মোস্তফা কে মুজেরী, সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ, বাংলাদেশ ব্যাংক
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন




