খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

পাওলো দিবালা ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী স্কোয়াডের একজন হলেও টুর্নামেন্ট জুড়ে তার অংশগ্রহণ ছিল বেশ সীমিত। কাতার বিশ্বকাপে তিনি মাত্র ১৭ মিনিট মাঠে থাকার সুযোগ পেয়েছিলেন, যার মধ্যে ফাইনালের টাইব্রেকারে করা গোলটি ছিল উল্লেখযোগ্য। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য লিওনেল স্কালোনির ঘোষিত ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় এই ফরোয়ার্ডের নাম নেই।
দিবালার বাদ পড়ায় ভক্তরা কিছুটা হতাশ হলেও এটি খুব একটা অপ্রত্যাশিত ছিল না। জুভেন্টাসের প্রাক্তন এই তারকার প্রতিভা নিয়ে সংশয় না থাকলেও জাতীয় দলে ফিটনেস বজায় রাখা এবং নির্দিষ্ট কৌশলে খাপ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ তাকে বারবার পিছিয়ে দিয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় এবারও তাকে ছাড়াই প্রাথমিক দল চূড়ান্ত করেছেন কোচ স্কালোনি।
পেশির ইনজুরির কারণে দীর্ঘ সময় ধরেই জাতীয় দলের পরিকল্পনায় অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন দিবালা। আর্জেন্টিনার হয়ে তিনি শেষবার মাঠে নেমেছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।
সম্প্রতি ইতালিয়ান ক্লাব রোমার হয়ে পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো ফিটনেস দেখালেও তা স্কালোনির মন জয় করার জন্য যথেষ্ট ছিল না। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার দলেও তার জায়গা হয়নি, তাই বিশ্বকাপের দল থেকে ছিটকে যাওয়াটা অবাক করার মতো কিছু নয়।

ক্লাব ফুটবলে চোটের কারণে নিয়মিত হতে না পারা দিবালার জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি মৌসুমে রোমার হয়ে মাত্র কয়েকটি ম্যাচে তিনি পূর্ণ সময় খেলতে পেরেছেন। মূলত স্কালোনি যখন প্রাথমিক দল গুছিয়ে নিচ্ছিলেন, তখন দিবালা মাঠের বাইরেই ছিলেন।
আধুনিক ফুটবলে কোচরা অনেক সময় আধো-ফিট খেলোয়াড়দের সুযোগ দিলেও আর্জেন্টিনা দলে এখন বিকল্পের অভাব নেই। তাই স্কালোনি ঝুঁকি না নিয়ে আক্রমণভাগে তরুণ ও গতিময় খেলোয়াড়দের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন। দিবালার পরিবর্তে এখন নতুন রক্ত সঞ্চালনেই বেশি আগ্রহী আলবিসেলেস্তেরা।
লিওনেল স্কালোনি সাধারণত আক্রমণাত্মক প্রেসিং এবং দ্রুত গতির ফুটবল পছন্দ করেন, যেখানে রক্ষণেও খেলোয়াড়দের শ্রম দিতে হয়। দিবালা সৃষ্টিশীল খেলোয়াড় হলেও অফ-দ্য-বল মুভমেন্ট বা প্রেসিংয়ের ক্ষেত্রে কোচের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে পারছেন না।
তাছাড়া লিওনেল মেসি পরবর্তী যুগের জন্য আর্জেন্টিনা এখন নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলছে। ফলে অভিজ্ঞদের বদলে তরুণদের ওপরই বেশি আস্থা রাখছেন কোচ। ২০১৫ সালে অভিষেকের পর ৪০ ম্যাচে মাত্র ৪ গোল করা দিবালার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার হয়তো এখানেই থমকে যেতে পারে।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








