খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

নখ কাটার মতো সাধারণ কাজটি ভুল পদ্ধতিতে করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নখের যত্ন কেবল সৌন্দর্যের অংশ নয়, বরং এটি রোগজীবাণুর সংক্রমণ রোধে অত্যন্ত কার্যকর।
ইনগ্রোন নখ
নখের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে ইনগ্রোন নখ অন্যতম, যার অর্থ নখ ভেতরের দিকে বেড়ে যাওয়া। সাধারণত পায়ের নখ গোল করে কাটা বা কোনা বেশি ছেঁটে ফেললে এমনটি হয়। নখ ত্বকের ভেতরে ঢুকে গিয়ে তীব্র যন্ত্রণা, লালচে ভাব বা সংক্রমণের সৃষ্টি করতে পারে। অনেক সময় অবস্থা গুরুতর হলে অস্ত্রোপচারের দরকার হয়।
প্যারোনাইকিয়া
অসাবধানতায় নখ কাটলে সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে। অপরিচ্ছন্ন নেইল কাটার ব্যবহার বা নখ কাটার সময় ত্বক কেটে গেলে ব্যাকটেরিয়া সহজেই আক্রমণ করতে পারে। এর ফলে নখের চারপাশ ফুলে লাল হওয়া, ব্যথা এবং পুঁজ হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে নখের গঠন নষ্ট করতে পারে।
জীবাণুর প্রকোপ
অনেকে নখ খুব ছোট করে কাটার অভ্যাস বা দাঁত দিয়ে নখ কাটার মতো ভুল করেন। এতে নখের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয় ও নখ ভঙ্গুর হয়ে যায়। হাত দিয়ে নখ ছেঁড়ার ফলে শুধু সংক্রমণই নয়, মুখের জীবাণুও নখের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ডায়াবেটিস রোগী বা যাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের জন্য সামান্য নখের ক্ষতও বিপজ্জনক হতে পারে। ভুলভাবে নখ কাটার ফলে তৈরি ক্ষত এসব ব্যক্তির ক্ষেত্রে সহজে সারতে চায় না, যা পরে বড় ধরনের জটিলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
আমরা নখ কাটার সময় সাধারণত যে ভুলগুলো করি তা হলো—
হুরোহুরি করে কাটা
স্বল্প আলোয় কাটা
শক্ত বা ভেজা নখে ভুল কোণে চাপ দেওয়া ইত্যাদি। এতে নখ আঁকাবাঁকা হয় এবং নখের পাশের ত্বক জখম হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, পায়ের নখ বরাবর সোজা করে কাটুন, কোনার দিকে বেশি কাটা এড়িয়ে চলুন।
হাতের নখ সামান্য গোলাকার রাখা যেতে পারে, তবে বেশি ভেতরে নয়।
সব সময় পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত টুলস ব্যবহার করুন। নখ কাটার আগে হাত-পা ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।
নখ নরম রাখতে গোসলের পরপর কাটা সবচেয়ে ভালো।
পরিশেষে, নখ কাটা ছোট কাজ হলেও এর সঠিক নিয়ম না জানলে তা দুর্ভোগের কারণ হতে পারে। সচেতনতা ও নিয়মিত পরিচর্যাই আপনাকে ব্যথা ও সংক্রমণ থেকে মুক্তি দিতে পারে।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








