বিএনএন ডেস্ক

সারা পৃথিবীতে কিডনি অকেজো হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে লুপাস বা এসএলই-কে চিহ্নিত করা হয়। লুপাসে আক্রান্ত রোগীদের অর্ধেকেরই কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয় এবং তাদের একটি বড় অংশের ডায়ালাইসিস করার প্রয়োজন পড়ে। লুপাসের কারণে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে লুপাস নেফ্রাইটিস বলা হয়। আজ ১০ মে, বিশ্ব লুপাস দিবস। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজের সুস্থ কোষগুলোকেই আক্রমণ করতে শুরু করে।
লক্ষণগুলো কীভাবে চিনবেন
কিডনি আক্রান্ত হওয়ার শুরুতে লুপাস রোগীদের কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না-ও থাকতে পারে। তবে প্রস্রাবে অস্বাভাবিক ফেনা হওয়া, প্রস্রাবের রং পরিবর্তন, মুখ ও চোখ ফুলে যাওয়া কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত কিডনি পরীক্ষা করানো আবশ্যক।
লুপাস রোগীদের প্রায় ৫০ শতাংশই জীবনের কোনো এক সময়ে কিডনি সংক্রান্ত জটিলতায় ভোগেন।
শনাক্ত করার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা
কিডনির অবস্থা বুঝতে প্রস্রাব এবং ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া সি-থ্রি, সি-ফোর বা বায়োপসির মাধ্যমে রোগের তীব্রতা বা পর্যায় নির্ণয় করা হয়। বায়োপসি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই মূলত এই রোগের চিকিৎসার পরবর্তী ধাপগুলো নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
চিকিৎসা পদ্ধতি
বর্তমানে লুপাস নেফ্রাইটিসের চিকিৎসায় ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। উচ্চমাত্রার স্টেরয়েড ও ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে বলে নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা ও ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করা জরুরি।
অধ্যাপক ডা. রওশন আরা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন





খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।