Home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য হিসাববিজ্ঞান: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর—জাবেদা কেন খতিয়ানের ‘সহায়ক বই’?

বিএনএন ডেস্ক

আপডেট: ৫৭ মিনিট আগে

Facebook
Twitter

Article Image

হিসাববিজ্ঞান: সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন: নগদ বাট্টা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: 
পাওনা টাকা দ্রুত সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিক্রেতা ক্রেতাকে যে পরিমাণ অর্থ ছাড় দিয়ে থাকে, তাকে নগদ বাট্টা বলা হয়। এই বাট্টা বিক্রেতার জন্য ‘প্রদত্ত বাট্টা’ এবং ক্রেতার জন্য ‘প্রাপ্ত বাট্টা’ হিসেবে গণ্য হয়। উভয় পক্ষই নিজ নিজ হিসাবের খাতায় এই বাট্টা অন্তর্ভুক্ত করে।

প্রশ্ন: জাবেদাকে কেন খতিয়ানের সাহায্যকারী বই বলা হয়?
উত্তর: 
জাবেদা সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক না হলেও খতিয়ানকে নির্ভুল ও সুশৃঙ্খলভাবে প্রস্তুত করতে জাবেদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরাসরি খতিয়ানে লেনদেন লিপিবদ্ধ করতে গেলে ভুল হওয়ার যে ঝুঁকি থাকে, জাবেদা তা কমিয়ে দেয়। এ কারণেই জাবেদাকে খতিয়ানের সহায়ক বই বলা হয়।

প্রশ্ন: জাবেদা কীভাবে ভবিষ্যৎ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করে? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: জাবেদায় প্রতিটি লেনদেনের ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ বিশ্লেষণের পাশাপাশি তারিখ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেওয়া থাকে। ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা কিংবা হিসাবের গরমিল দেখা দিলে জাবেদা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই একে ভবিষ্যৎ সূত্র বা রেফারেন্স বলা হয়।

প্রশ্ন: সাধারণ জাবেদার ছকে কয়টি ঘর থাকে এবং সেগুলো কী কী?

উত্তর: সাধারণ জাবেদার নমুনা ছকে মোট পাঁচটি ঘর থাকে। সেগুলো হলো—১. তারিখ, ২. বিবরণ, ৩. খতিয়ান পৃষ্ঠা (খ. পৃ.), ৪. ডেবিট টাকা এবং ৫. ক্রেডিট টাকা।

প্রশ্ন: সাধারণ জাবেদার দুটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তর: 
নিচে জাবেদার দুটি বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো:

১. তারিখের ক্রম: এখানে প্রতিটি লেনদেন বছর, মাস ও দিন অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে সাজানো থাকে।

২. ব্যাখ্যা ও পক্ষ বিশ্লেষণ: প্রতিটি লেনদেনের দুটি পক্ষ (ডেবিট ও ক্রেডিট) শনাক্ত করে তার নিচে লেনদেনটি কেন সংঘটিত হলো, তার একটি সংক্ষিপ্ত কারণ বা ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।

প্রশ্ন: জাবেদা কত প্রকার হতে পারে?
উত্তর: 
জাবেদাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

১. বিশেষ জাবেদা: যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শ্রেণির লেনদেন (যেমন: ধারে পণ্য ক্রয়) লিপিবদ্ধ হয়।

২. প্রকৃত জাবেদা: যেসব লেনদেন কোনো বিশেষ জাবেদায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় না, সেগুলো এখানে লেখা হয়।

প্রশ্ন: খতিয়ান বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: 
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির হিসাব যেমন—সম্পদ, দায়, আয়, ব্যয় ও মালিকানাস্বত্বকে আলাদা আলাদা শিরোনামে সুশৃঙ্খলভাবে যেখানে সাজিয়ে রাখা হয়, তাকেই খতিয়ান বলে।

প্রশ্ন: জাবেদা ও খতিয়ানের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: 
জাবেদা ও খতিয়ান হিসাব চক্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জাবেদা সংরক্ষণ ঐচ্ছিক কিন্তু খতিয়ান প্রস্তুত করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। জাবেদায় লেনদেন শনাক্ত করা হয় আর খতিয়ানে প্রতিটি হিসাবের জের বা উদ্বৃত্ত নির্ণয় করা হয়। খতিয়ানের উদ্বৃত্ত থেকেই পরবর্তীতে রেওয়ামিল ও আর্থিক বিবরণী তৈরি করা সহজ হয়। এছাড়া উভয়ের ছক ও উপস্থাপনা পদ্ধতিতেও ভিন্নতা রয়েছে।

প্রশ্ন: খতিয়ানের প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: 
খতিয়ান প্রধানত দুই প্রকার। যথা: সাধারণ খতিয়ান ও সহকারী খতিয়ান। প্রতিষ্ঠানের মূল হিসাবগুলো যেমন—নগদান, মূলধন, ক্রয় বা বিক্রয় হিসাব সাধারণ খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, প্রতিটি আলাদা দেনাদার বা পাওনাদারের জন্য যখন স্বতন্ত্রভাবে খতিয়ান তৈরি করা হয়, তখন তাকে সহকারী খতিয়ান বলা হয়।

  • মুহাম্মদ আলী, জ্যেষ্ঠ শিক্ষক
    মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, ঢাকা



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com

সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।

স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।