খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইন অনুযায়ী প্রতিটি যাত্রীবাহী ট্রেনে মহিলাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট কামরা সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইনের ৬৪ ও ১১৯ ধারা বাস্তবায়নে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মমতাজ পারভীন। সেই রিটের প্রাথমিক শুনানির পর গত বছরের ১০ মার্চ হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেন।
প্রায় পাঁচ বছর আগের দায়ের করা রিটের ধারাবাহিকতায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিটি যাত্রীবাহী ট্রেনে মহিলাদের জন্য কামরা বরাদ্দের দাবিতে একটি সম্পূরক আবেদন করেন রিট আবেদনকারী। আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আজমল হোসেন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।
পরে মুহাম্মদ শফিকুর রহমান জানান, আইনে যাত্রীবাহী ট্রেনে মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট কামরা বরাদ্দের বিধান রয়েছে। আবেদনকারীপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, যাত্রীবাহী ট্রেনে মহিলাদের জন্য কামরা সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে, এই নির্দেশ শুধু আসন্ন ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে প্রযোজ্য হবে।
রিট আবেদনকারীর আইনজীবীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইনের ৬৪ ধারায় প্রতিটি ট্রেনে মহিলাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট কামরা রাখার কথা উল্লেখ আছে। ৫০ মাইলের বেশি দূরত্বে চলাচলকারী ট্রেনের ক্ষেত্রে সেই কামরার সঙ্গে একটি শৌচাগার সংযুক্ত থাকার বিধানও রয়েছে। এছাড়া, ১১৯ ধারায় বিনা অনুমতিতে এই কামরায় প্রবেশ করলে জরিমানার বিধানও আছে। এই দুটি ধারার বাস্তবায়ন না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই ২০২১ সালে রিটটি দায়ের করা হয়।
রিটের প্রাথমিক শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ১০ মার্চ হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেন। এই রুলে আইনে বর্ণিত বিধান অনুযায়ী যাত্রীবাহী প্রতিটি ট্রেনে মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট কামরা কেন বরাদ্দ (সংরক্ষিত) রাখা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, নারী যাত্রীদের জন্য ট্রেনে নির্দিষ্ট কামরা সংরক্ষণের জন্য আইনের ওই দুটি বিধান বাস্তবায়নে নিষ্ক্রিয়তাকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়। এই রুলে রেলওয়ে সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








