খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

অনলাইন সংবাদ ও তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চাইছে ভারত সরকার। এবার ফেসবুক, ইউটিউব বা এক্স-এর মতো প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার এবং পডকাস্টারদেরও এই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে। সম্প্রতি দেশটির তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় তাদের বিধিমালা সংশোধনের একটি প্রস্তাব পেশ করেছে। এর মাধ্যমে যারা পেশাদার সংবাদকর্মী নন কিন্তু সমসাময়িক বিষয়ে কন্টেন্ট তৈরি করেন, তাদেরও নির্দিষ্ট আচরণবিধি মেনে চলতে হবে, যা আগে শুধু নিবন্ধিত সংবাদমাধ্যমের জন্য ছিল।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের মতপ্রকাশের ওপর সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ বাড়বে। নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে আইনি সুরক্ষা বা ‘সেফ হারবার’ সুবিধা বজায় রাখতে হলে সরকারি নির্দেশিকা মানতে হবে। ডিজিটাল অধিকারকর্মীদের ভয়, এর ফলে ভিন্নমত দমনে এবং পরোক্ষভাবে সেন্সরশিপ আরোপে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সরকারের দাবি, ভুয়া খবর এবং উসকানিমূলক বক্তব্য ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ। আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিয়ে জনগণের মতামত নেওয়া হবে। তবে সমালোচকরা এই যুক্তি মানতে নারাজ। জনপ্রিয় ইউটিউবার আকাশ ব্যানার্জির মতে, এসব কঠোর নিয়ম নির্মাতাদের মনে ভয়ের সৃষ্টি করবে, যার ফলে তারা অনেক কথা বলা থেকে বিরত থাকবেন। আকাশ জানান, বিদ্যমান অনেক আইন থাকা সত্ত্বেও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য কমেনি, বরং সমালোচনামূলক বা ব্যঙ্গাত্মক পোস্টগুলোর ওপরই খড়গ নেমে আসছে।
গত মাসে ভারতের বেশ কিছু এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই সরকারের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা বা ব্যঙ্গ করত। কুমার নয়ন নামের এক ব্যবহারকারী জানান, কোনো আগাম বার্তা ছাড়াই তার অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছিল। আদালতের হস্তক্ষেপে অ্যাকাউন্টটি ফিরে পেলেও প্রধানমন্ত্রী বা বিজেপির সমালোচনা সম্বলিত কিছু পোস্ট এখনো ভারতে ব্লক করে রাখা হয়েছে।
নয়ন অভিযোগ করেন, স্রেফ মজার ছলে দেওয়া পোস্টগুলো কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে তা বোধগম্য নয়। এদিকে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণন এই পরিবর্তনের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তিনি মনে করেন, যেহেতু এখন সাধারণ নাগরিকরাও খবর ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে পোস্ট করছেন, তাই সবার জন্য একটি অভিন্ন ও সুশৃঙ্খল নীতিমালা থাকা জরুরি। তাঁর মতে, প্রস্তাবিত এই নিয়মগুলো বর্তমান আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন




