খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে কয়েকজন শিক্ষার্থী এক যুবককে গোপনে ছাত্রীদের ছবি তোলার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তার কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল জব্বার মোড় এলাকায় ঘটেছে। আটক হওয়া ওই যুবকের নাম আবু খারিয়া তোফায়েল, বয়স ৩২ বছর এবং তিনি নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে, সন্দেহজনকভাবে একটি মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে অভিযুক্ত যুবক সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর ছবি তোলার সময় শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে ফেলেন। এরপর তারা তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি তার মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন।
এই ঘটনার শিকার ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, জিমনেসিয়াম থেকে খেলা দেখে ফেরার পথে একজন তাকে জানায় যে ওই ব্যক্তি তাদের ছবি তুলছেন। ফোনটি দেখতে চাইলে তারা দেখতে পান যে ওই ব্যক্তি তাদের এবং সেখানে উপস্থিত আরও কয়েকজনের ছবি তুলেছেন। এরপর তারা তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রহমত উল্লাহ জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে আনা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে মাদক পাওয়া গেছে। এরপর তাকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হবে এবং সেখানে মামলার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এজন্য একজন বাদী প্রয়োজন। মামলা হলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ফরহাদ কাদির বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন যে ওই ব্যক্তি গোপনে ছাত্রীদের ছবি তুলছিলেন। পরে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন। এখানে আসার পর তিনি তার ফোনটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন, যা প্রমাণ নষ্টের একটি প্রয়াস। তার কাছে মাদকও পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








