খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ডিজিটাল বা ‘ই-ঋণ’ চালুর জন্য নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এর ফলে দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক এখন এই ধরনের স্বল্প অঙ্কের ঋণ বিতরণের সুযোগ পাবে।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা এবং নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে একটি ক্যাশলেস সমাজ গঠন করা। একজন গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যেকোনো ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ বিকেলে এই সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছে।
বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশের গ্রাহকেরা এই সুবিধা পাচ্ছেন। এছাড়াও, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক এবং ব্যাংক এশিয়া পরীক্ষামূলকভাবে এই সেবা প্রদান করেছে। এতে ইতিবাচক ফল পাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিকভাবে সেবাটি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সকল সাধারণ গ্রাহক ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে এই ঋণ নিতে পারবেন। তবে, ব্যাংক-কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতা এই ঋণের জন্য বিবেচিত হবেন না। ঋণ প্রদানের পূর্বে ব্যাংকগুলোকে অন্যান্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহকের পূর্ববর্তী ঋণের তথ্য যাচাই করে নিতে হবে। তবে, এই তথ্য যাচাইয়ের জন্য ব্যাংকগুলো গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো প্রকার ফি বা মাশুল আদায় করতে পারবে না। এই ই-ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ১২ মাস।
এই ডিজিটাল ঋণের আবেদন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে অর্থ ফেরত নেওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ কাজটি ‘এন্ড-টু-এন্ড’ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। এর অর্থ হলো, গ্রাহকদের ঋণ গ্রহণের জন্য সশরীরে ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, ই-ওয়ালেট বা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে এই ঋণ গ্রহণ করা যাবে। এই ঋণের ক্ষেত্রে প্রচলিত কাগজের স্বাক্ষরের পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমে সংগৃহীত বায়োমেট্রিক তথ্যের ভিত্তিতে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করা হবে এবং ঋণের সম্মতি গ্রহণ করা হবে।
গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ওটিপি (OTP) এবং টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। গ্রাহকের সকল তথ্য বাংলাদেশে অবস্থিত ডেটা ওয়্যারহাউসে সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








