Home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


বিদ্যুৎ খরচ ছাড়াই ঘর শীতল রাখার নতুন কৌশল আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা

বিএনএন ডেস্ক

আপডেট: ১ ঘণ্টা আগে

Facebook
Twitter

Article Image

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যখন দাবদাহের প্রকোপ ক্রমাগত বাড়ছে, ঠিক তখনই এসি বা শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের বিকল্প হিসেবে এক নতুন শীতলীকরণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন সৌদি আরবের কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির একদল গবেষক। তাঁদের দাবি, 'নেসকোড' নামের এই বিশেষ সিস্টেমটি কোনো প্রকার বিদ্যুৎ ছাড়াই তীব্র গরমেও ঘর ঠান্ডা রাখতে সক্ষম।

গবেষকদের দেওয়া তথ্যমতে, নেসকোড প্রযুক্তিটি মূলত দ্বিমুখী তাপগতিবিদ্যার একটি চক্র অনুসরণ করে কাজ করে। এই পদ্ধতির প্রথম ধাপে পানির সঙ্গে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নামক একটি বিশেষ লবণ মেশানো হয়। এর ফলে একটি তাপগ্রাহী রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, যা চারপাশের পরিবেশ থেকে তাপ শুষে নেয় এবং তরলটির তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে ফেলে ঘরকে শীতল করে।

রয়্যাল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রি সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, সিস্টেমটিকে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করতে বিজ্ঞানীরা একটি ত্রিমাত্রিক সোলার রিজেনারেটর তৈরি করেছেন। এটি সূর্যের আলো ব্যবহার করে লবণের দ্রবণ থেকে পানি বাষ্পীভূত করে দেয়, যার ফলে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আবার দানাদার অবস্থায় ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিস্টেমটি পরবর্তী কুলিং সাইকেলের জন্য আবার তৈরি হয়ে যায়।

নেসকোড সিস্টেমটি অত্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী এবং এটি বারবার ব্যবহার করা যায়। এই প্রযুক্তিটি ৫ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারে, যা ঘর ঠান্ডা রাখা বা খাবার সংরক্ষণের জন্য বেশ কার্যকর। এই প্রক্রিয়ায় যে জলীয় বাষ্প উৎপন্ন হয়, তা থেকে পুনরায় বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করা সম্ভব। বিশেষ করে মরুভূমি বা শুষ্ক অঞ্চলের জন্য এটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ। এই সিস্টেমটি দিনে সৌরশক্তি সঞ্চয় করে রাতে বা অন্য সময়েও শীতলতা প্রদান করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, নেসকোডে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সার হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে এটি বেশ সস্তা ও সহজলভ্য। এছাড়া এর ত্রিমাত্রিক রিজেনারেটর কাঠামোটি খুব অল্প জায়গায় দ্রুত বাষ্পায়ন নিশ্চিত করে, যা সামগ্রিক উৎপাদন খরচ কমিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেসব উন্নয়নশীল বা দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছানো ব্যয়বহুল, সেখানে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী এই প্রযুক্তিটি বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

উৎস: টাইমস অব ইন্ডিয়া



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com

সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।

স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।