খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার পাশাপাশি যে সকল কারখানা বর্তমানে ধুঁকছে, সেগুলোর জন্য সরকার নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে। তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং নিট পোশাক প্রস্তুতকারকদের সংগঠন বিকেএমইএ-এর নেতাদের সাথে পৃথক পৃথক বৈঠকে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এই আশ্বাস দিয়েছেন।
বিজিএমইএ-এর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী ধুঁকতে থাকা কারখানাগুলির জন্য নীতিগত সহায়তার বিষয়ে সংগঠন দুটির কাছে লিখিত আবেদন চেয়েছেন।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে প্রথমে বিজিএমইএ-এর নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মোক্তাদির, পূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে বিজিএমইএ-এর প্রতিনিধি দলে ছিলেন জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, মিজানুর রহমান, রেজওয়ান সেলিম, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে মাহমুদ হাসান খান জানান, 'আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি যেন বন্ধ কারখানাগুলি চালু করার পাশাপাশি সংকটে থাকা কারখানাগুলির জন্যও বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়। একই সাথে, আমরা বলেছি যে এমন কোনো কারখানাকে সহায়তা দেওয়া উচিত হবে না যারা এটি চালু রাখতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএ-এর সদস্যদের মধ্যে বন্ধ থাকা ও সংকটে থাকা কারখানাগুলির একটি তালিকা চেয়েছেন।'

বিজিএমইএ-এর সভাপতি আরও বলেন, 'ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করার জন্য কোন কোন ক্ষেত্রে নীতিগত সহায়তার প্রয়োজন, তা আমাদের কাছ থেকে লিখিতভাবে জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা লিখিত প্রস্তাব জমা দিলে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।'
বিজিএমইএ-এর পর, সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বে বিকেএমইএ-এর একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সিনিয়র সহ-সভাপতি অমল পোদ্দার, সহ-সভাপতি মোরশেদ সারওয়ার সোহেল, মো. শামসুজ্জামান এবং ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ।
এ ব্যাপারে বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, 'আমরা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি যে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি থাকা সত্ত্বেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতার কারণে কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ধুঁকতে থাকা কারখানাগুলির জন্য নীতিগত সহায়তার বিষয়ে লিখিত প্রস্তাব চেয়েছেন।'
কাস্টমসের জটিলতার কারণে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হওয়ার বিষয়েও বিকেএমইএ-এর নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কাস্টমসের জটিলতার কারণে ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কর ব্যবস্থাতেও তাদের সমস্যা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়েও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব চেয়েছেন।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন








