বিএনএন ডেস্ক
প্রায় দুই দশক আগে প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে ফ্রান্সে পাঠানো হয়েছিল কিছু প্রত্নসামগ্রী। সেই নিদর্শনগুলো অক্ষত ও আসল অবস্থায় ফিরে এসেছে কি না, তা যাচাইয়ের লক্ষ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলামকে প্রধান করে ৯ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার বগুড়ার শিবগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। কমিটির কয়েকজন সদস্য ২০০৭ সালে ফ্রান্সফেরত প্রত্ননিদর্শনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে এই তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
২০০৭ সালে দেশের বিভিন্ন জাদুঘরের প্রত্ননিদর্শন ফ্রান্সে প্রদর্শনের জন্য নেওয়া হয়, যার মধ্যে বগুড়ার মহাস্থান জাদুঘরের ৪৭টি নিদর্শন ছিল। প্রথম চালানে কিছু নিদর্শন পাঠানোর পর দ্বিতীয় চালানে একটি মূর্তি হারিয়ে গেলে ফ্রান্সের সাথে ওই চুক্তি বাতিল হয় এবং বাকিগুলো ফেরত আনা হয়। তবে সেই নিদর্শনগুলো আদৌ আসল কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিনের অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।
প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শিবগঞ্জের ইউএনওকে প্রধান করে গঠিত কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখবে কতগুলো প্রত্নবস্তু আসল আর কতগুলো রেপ্লিকা। তিনি আরও জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী ও সংস্কৃতিমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করা হবে।
এ প্রসঙ্গে মহাস্থান জাদুঘরের কাস্টডিয়ান রাজিয়া সুলতানা জানান, ফ্রান্সের গিমে জাদুঘরে প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য দেশটির দূতাবাস থেকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব আসে। মন্ত্রণালয় সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার পর একটি কমিটি গঠন করা হয়। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, জাতীয় জাদুঘর এবং বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর আলাদাভাবে ফ্রান্সের সাথে চুক্তি সম্পাদন করে। ২০০৭ সালের ১৮ নভেম্বর সংস্কৃতি সচিবের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় নিদর্শনগুলো পাঠানোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
ফোন : +88 01919237299, +8801640754545, ই-মেইল: princesalehbd@gmail.com