খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অভিযোগ করেছেন যে, বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে ব্যাপক লুটতরাজ চালানো হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণ খরচ আরও কমানো এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল, যা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল। তিনি আরও জানান, দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে এবং বর্তমান সরকারকে ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বিদেশি ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।
সোমবার জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পরবর্তী এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ১৬টি মেগা প্রকল্পের টাকা খরচ হলেও কাজ শেষ হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা পালিয়ে যাওয়ায় প্রকল্পগুলো স্থবির হয়ে আছে। বিগত ১৮ বছরের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিদেশি দাতা সংস্থাগুলো এখন বিনিয়োগে অনীহা দেখাচ্ছে।
শেখ রবিউল আলম আরও উল্লেখ করেন, ২০০২-০৫ সালে বিএনপি শাসনামলে খালেদা জিয়ার সরকারই পদ্মা সেতুর প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাই ও মাওয়া প্রান্তে এর নকশা চূড়ান্ত করেছিল। পরবর্তী সরকার বিপুল অর্থ অপচয় ও দুর্নীতির মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করলেও, ভিত্তিটা আগের সরকারের আমলেই তৈরি হয়েছিল।
সেতু প্রকল্পে যারা অর্থ নয়ছয় করেছেন তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শুধুমাত্র লোকদেখানো কাজে বিশ্বাসী নয়; বরং টেকসই উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায়।
সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, স্থানীয় সাংসদ সাঈদ আহমেদ আসলাম এবং জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জাজিরা টোল প্লাজার কাছে ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে যা পদ্মা সেতু জাদুঘর হিসেবে পরিচিত হবে। এই জাদুঘরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ ইতিহাস, গবেষণালব্ধ তথ্য এবং বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন প্রদর্শিত হবে। এটি শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও তথ্যকেন্দ্র হয়ে উঠবে।
বর্তমানে মাওয়া প্রান্তে সাময়িকভাবে সংরক্ষিত প্রায় ১,৬৩৬ প্রজাতির ২,৪৩১টি নমুনা এই জাদুঘরে স্থানান্তরিত হবে। যার মধ্যে বিভিন্ন প্রাণী, জলজ উদ্ভিদ, প্রাচীন নৌকা এবং সেতু নির্মাণে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি অন্যতম।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন




