খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন:www.bnnbreakingnews.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : প্রিন্স সালেহ। প্রকাশক কর্তৃক ১২ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামোটর, ঢাকা ১২০৫ থেকে মুদ্রিত।
স্বত্ব © BNN Breaking News (2026)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
বিএনএন ডেস্ক

দেশে হামে তিন শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) নেতারা সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, তারা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা রাষ্ট্রীয়করণ এবং হামে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের দাবি উত্থাপন করেছেন।
রোববার (Sunday) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সংগঠনটি এই দাবিগুলো জানায়।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি তামজীদ হায়দার চঞ্চল-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকার-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমল্লার বসু, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক, ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক আসিফ জামান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি কে এম আবদুল্লাহ নিশাত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে তামজীদ হায়দার চঞ্চল বলেন, “চিকিৎসাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয়kরণের আওতায় আনতে হবে এবং স্বাস্থ্যখাতের ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে ডাকসু নেতাদের ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না। কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক স্বার্থে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা চলবে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করার আহ্বান জানাই।”

ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমল্লার বসু বলেন, “শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বর্তমান সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে এক অদ্ভুত মিল দেখা যাচ্ছে। এমনকি সংসদ অধিবেশনেও শিশুমৃত্যু নিয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ বা আলোচনা দেখা যায় না। তিনি বলেন, ইউনিসেফ হামের সংকট ও শিশুমৃত্যুর বিষয়ে ইউনূস সরকারকে সতর্ক করেছিল। কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এত শিশুর মৃত্যু ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নেননি। এই কাঠামোগত হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ইউনূস সরকার এবং বর্তমান সরকারকেও এর দায় নিতে হবে।”
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক বলেন, ‘পুরোনো অত্যাচারীদের পতনের পর নতুন অত্যাচারী আসে, কিন্তু আমরা এই দুষ্টচক্র থেকে বের হতে পারছি না। শিক্ষা খাতের পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেরও বাণিজ্যিকীকরণ ঘটেছে। সাড়ে তিন শতাধিক শিশুর মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ স্বাস্থ্য খাতের এই বাণিজ্যিকীকরণ।’
সমাবেশ শেষে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু হয়ে কলাভবন, ডাকসু এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন




